Latest post slider

লেটেস্ট পোস্ট লোড হচ্ছে...

Suppose Salahuddin Ahmed becomes the new Prime Minister of our country, will he not be able to fulfill his duties?

Suppose Salahuddin Ahmed becomes the new Prime Minister of our country, will he not be able to fulfill his duties?

সদ্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সংসদে অনুপস্থিত সময়ে তারই মন্ত্রিসভার ভেতরে দায়িত্ব বন্টন করা হয়েছে। এই নিয়ে অনলাইনে অনেক তোলপাড়, কিছু মাথামোটা অল্প বুদ্ধিসম্পন্ন এক কথায় প্রতিবন্ধী মানুষগুলো খুব কথা বলতেছে। তারা আদৌ পলিটিক্স জানে কি না আমার ধারণার বাইরে।

যে প্রস্তাবটা পাস হয়েছে সেখানে উল্লেখ আছে তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব বা কার্যক্রম সম্পাদন করবে কয়েকজন মন্ত্রী।

এই প্রস্তাবে কয়েকজন জৈষ্ঠ মন্ত্রীদের নাম উল্লেখ আছে। এর ভিতরে সালাউদ্দিন আহম্মেদ চৌধুরী তিনি দায়িত্ব পেয়েছেন মোটা দাগে বাংলাদেশের হৃৎপিণ্ড গুলোর কন্ট্রোলের ব্যাপারে।

যদিও তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে একজন সালাউদ্দিন আহম্মেদি যথেষ্ট পুরো মন্ত্রিসভা চালানোর জন্য। সেখানে, যদি তাকে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সেই দায়িত্ব সরাসরি সালাউদ্দিন আহমেদকে দেওয়া হয় তাহলে বাংলাদেশের জনগণে একটি ভীতি বা প্রশ্ন আসতে পারে, এজন্য কয়েকজনের মন্ত্রী সমন্বয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর অনুপস্থিতিতে তার দায়িত্ব মন্ত্রিসভায় বন্টন করা হয়েছে।

এখন আসি মূল কোথায়_ একটা দেশ নির্বাচনের ভেতর দিয়ে বর্তমান নির্বাচিত সরকার গঠিত হয়েছে। সেখানে বেকাপ মন্ত্রিত্ব কোন কালই ছিল না। যেটা বিএনপি প্রস্তাবনাই পাস করে দেখিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের অদূর ভবিষ্যতে কোন কিছু বিপর্যয় বা সংকটময় সময়ে বাংলাদেশের কোন ক্ষতি হবে না। এটা একটা ভালো দিক। কেননা বাংলাদেশের বর্তমানে নির্বাচিত সরকারের যে মিশন ভীষণ অর্থাৎ বিএনপি সরকারের যে মিশন ভীষণ ২০৪২ সাল পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তা সম্পূর্ণ করতে এমন একটি বেকাপ প্রধানমন্ত্রী থাকা অস্বাভাবিক কিছুই না।

এত গভীরভাবে চিনতে না করে সাধারণভাবে একটু চিন্তা করুন। বাংলাদেশের যে চিকিৎসা ব্যবস্থা আর আমরা তো মানুষ আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও মানুষ। যদি কখনো কোন অসুস্থতা পেয়ে বসে তখন কি বাংলাদেশের কার্যক্রম থেমে থাকা উচিত। বাংলাদেশ একটি রাষ্ট্র যা আবেগ দিয়ে চলে না। রাষ্ট্র চলে বেবেক আইন দিয়ে।  একটা মানুষের অসুস্থতার কারণে বাংলাদেশের যে উন্নয়নের ধারা থেমে থাকবে তা স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ও চান না।

হয়তো বলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ হবেন কেন, বা এমন কি অসুস্থ হবেন যে তিনি সংসদে উপস্থিত থাকতে পারবেন না, দেশের দায়িত্বভার নিতে পারবেন না। 
তাদের উদ্দেশ্যে একটি কথা বলি, এই তো সাম্প্রতিক কয়েকদিন আগেই আমাদের বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য কোরআনের পাখি মুফাসসির আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেব হুজুর জেল থেকে সুস্থ মানুষ হাসপাতালে গিয়েছিলেন,  শুধুমাত্র চেক আপের জন্য। কিন্তু তিনি হঠাৎ করেই হাসপাতালে অসুস্থ হয়ে গেলেন এবং মৃত্যুবরণ করলেন। তিনি যদি কোন সরকারের দায়িত্ব বা পথে থাকতেন তাহলে কি তার জন্য সে দায়িত্ব সে কার্যক্রম কি বন্ধ হয়ে যেত। অবশ্যই কেউ না কেউ গ্রহণ করত। আর সেটা যদি আগে থেকেই প্রস্তুতি থাকে তাহলে সমস্যা কি?  এটা তো আমাদের বাংলাদেশের জন্য ভবিষ্যৎ মঙ্গল।

যারা আমার কথাগুলো এখনো বুঝতে পারেননি তাদেরকে আরেকটি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দেই। আপনাদের বোধ হয় জানা আছে সৌদির যুবরাজ রোড এক্সিডেন্ট করার পর দীর্ঘ সময় কমায় ছিলেন। তিনি কিন্তু সৌদির দায়িত্বভার গ্রহণ করার কথা ছিল নিয়ম অনুসারে কিন্তু তার শারীরিক অক্ষমতার কারণে দায়িত্বভার নিতে পারেননি।

আল্লাহ না করুক আমাদের প্রধানমন্ত্রী যদি কখনো কোন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিতে গেলে কোন কারণবশত কমায় চলে যান বা মৃত্যুবরণ করেন তাহলে এই বাংলাদেশের ২০৪২ সাল পর্যন্ত যে মিশন ভিশন আছে তার ধারক-বাহক হবেন কে?

বিএনপি একটি চৌকুস দল এবং তার বর্তমান যে নেতৃত্ব স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ আছে তারা বিএনপিতে প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গায় only one person তাদের বুদ্ধির ভান্ডার অপরিসীম। তারা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে এমন বিকল্প প্রস্তাবনা পাশ করেছে বলে আমি মনে করি।

"Best of luck new prime minister"

আমার জ্ঞানের পরিধি যতটুকু তার ভেতরেই আমি বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার যে প্রস্তাবনা তার ওপর ভিত্তি করে যতটুকু বোঝার সক্ষমতা হয়েছে তাই বর্ণনা করেছি। এটা যার যার জ্ঞানের উপর নির্ভর করে। আপনার জ্ঞান আমার চেয়ে বেশি হলে আপনি হয়তো আরো ভালো বুঝতে পারবেন। তো সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল কামনা করে আজকের মত বিদায়।

Post a Comment

0 Comments